সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর বাজারে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ডিলার নিয়োগে ভুয়া তথ্য দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিলার শেখ আল আমিন। তার দাবি, প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের মাধ্যমে তাকে সামাজিক ও ব্যবসায়িকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে হাজরাকাটি বাজারের শেখ বাড়ি মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, শেখ আল আমিন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। স্থানীয় আ. আহাদ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকলেও আল আমিন নিজেও নিয়মিত দোকান ও গোডাউনে যাতায়াত করেন বলে জানা যায়।
শেখ আল আমিন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি বাজারে দোকানঘর ও গোডাউন ভাড়া নিয়ে সুনামের সঙ্গে মুদি ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
তিনি বলেন, “২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির আলোকে টিসিবির শূন্য ডিলার পদে আবেদন করি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ১২টি আবেদন সরেজমিন পরিদর্শন ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে আমার প্রতিষ্ঠান ‘মুক্তা এন্টারপ্রাইজ’-এর পক্ষে প্রতিবেদন দেন। সেই প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠান। জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘মুক্তা এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে টিসিবি ডিলারশিপের অনুমোদন প্রদান করে।”
তার অভিযোগ, এই নিয়োগে ক্ষুব্ধ হয়ে খলিলনগর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সাত্তার তার ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শেখ আল আমিন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধ না হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক মুদি ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেন, ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে খলিলনগর বাজারে টিসিবির ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন শেখ আল আমিন।
