সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে “তালায় টিআর কাবিটা প্রকল্প নয়ছয়, অভিযোগের তীর ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের দিকে!” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে আমি জানাচ্ছি।
সংবাদে দাবি করা হয়েছে, প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক দুলাল চন্দ্র বাছাড়কে সভাপতি করে কোনো কাজ না করে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং মাগুরা জান্নাতুল ফেরদৌস জামে মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত ২ লক্ষ টাকা স্থানীয় বিএনপি নেতা রেজাউল করিমকে সভাপতি করে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রকৃত সত্য হলো, বরাদ্দকৃত টাকায় নির্ধারিত কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাস্তবায়িত কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট হওয়ার পরই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সুতরাং ভুয়া স্বাক্ষর বা কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মিথ্যা।
একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের কাছে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করেছে বলে আমি মনে করি। আমি উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টালগুলোর কাছে সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি।
উত্তম সেন
