সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় কুকুরের আক্রমণে ছাগল আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রায়ই কুকুরের হামলায় ছাগল মারা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে প্রাণী বাঁচানোর চেষ্টা করছেন গৃহস্থরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে গড়ে তিন থেকে চারটি কুকুরে কামড়ানো ছাগল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে। তবে আক্রান্ত অনেক ছাগলের চিকিৎসা বাড়িতেই করানো হচ্ছে।
উপজেলার গোপালপুর গ্রামের নয়ন দাস জানান, কয়েকদিন আগে তার পরিবারের দুটি ছাগল একাধিক কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়। পরে সেগুলোর বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, গত প্রায় এক মাসে আমাদের এলাকায় ২০টির বেশি ছাগল কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মারা গেছে, আর বাকিগুলোর চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, একই গ্রামের উত্তম কুমার বিশ্বাসের দুটি খাসি ছাগল গত শনিবার কুকুরের কামড়ে আহত হয়। এর মধ্যে একটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন রায় গণেশ বলেন, আমার ১০ থেকে ১২টি ছাগল রয়েছে। কিন্তু কুকুরের ভয়ে এখন আর বাইরে চরাতে নিতে পারি না।
গ্রাম্য পশু চিকিৎসক সুমন জানান, গরমের সময়ে কুকুরগুলো সাধারণত বাড়িতে না থেকে গাছতলা ও খোলা জায়গায় দলবদ্ধভাবে অবস্থান করে। এ সময় মাঠে বা খোলা স্থানে বাঁধা ছাগলের ওপর তারা আক্রমণ চালায়। বর্তমানে তিনি নিয়মিত আক্রান্ত ছাগলের চিকিৎসা দিচ্ছেন বলেও জানান।
তালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাছুম বিল্লাহ বলেন, প্রতি সপ্তাহে তিন থেকে চারটি কুকুরে কামড়ানো ছাগল চিকিৎসার জন্য আমাদের কাছে আনা হচ্ছে। এছাড়া অনেক মালিক স্থানীয়ভাবে বা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
