সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কানাইদিয়া গ্রাম থেকে ১৭ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীকে নিয়ে আত্মগোপনে থাকার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের শিমুল মোড়ল (২৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিমুল ও তাঁর বাবা-মাকে বিবাদী করে তালা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ছাত্রীর ভাই মো. আশিক মীর (২৮)।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কানাইদিয়া গ্রামের মীর তয়েজ আলীর ছেলে আশিক মীরের বোন স্থানীয় কপিলমুনি কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজে যাওয়া-আসা ও প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে শিমুল তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আশিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা শিমুলের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতে শিমুল ক্ষিপ্ত হন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, শনিবার সকাল ৭টার দিকে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে গোপন সূত্রে তাঁরা জানতে পারেন, শিমুলের বাবা রফিকুল ইসলাম ওরফে পুটি (৫৫) এবং মা হোসনেয়ারা বেগমের (৪০) সহযোগিতায় শিমুল ওই ছাত্রীকে নিয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে তাঁদের সন্দেহ।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় ওই ছাত্রীর কাছে ১০ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও ৮ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ছিল।
আশিক মীর জানান, স্থানীয় মীর কামরুল ইসলাম টুকুসহ কয়েকজনকে নিয়ে তাঁরা অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাননি। মুঠোফোনেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর আশঙ্কা, নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর বোনকে আটকে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন আলী বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
